বাংলা
ম, আ, মোশতাক: বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করে আওয়ামী বাকশালীরা এক প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন করেছে।
প্রার্থী বিহীন ও ভোটার বিহীন এ নির্বাচনে ১৫৪ জন বিনা প্রতিদন্ধীতায় এম, পি নির্বাচিত হওয়ার ঘঠনা - এ বিশ্বে কোথাও আর ঘটেনি। শুধুমাত্র ক্ষমতায় ঠিকে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী জাতীর সাথে প্রথারনা করছেন। এক বাকশালী রূপকল্পের কাহিনী অবলম্বনে ‘তামাশার নির্বাচন’ নামে নাটক মঞ্ছস্থ হতে যাচ্ছে। জাতীর সাথে প্রথারনাকারী এই বাকশালীরা বাংলার মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে।
অন্যায়ভাবে মানুষকে হত্যা, গুম, গ্রেফতার, জেল যুলুমের মাধ্যমে সারা দেশটাকে এক জেলখানায় পরিণত করেছে। রক্তের হুলিখেলায় মেথে উঠেছে হাসিনা সরকার। লাশের বোঝায় নৌকা ডুবি ডুবি – তবুও জনগণের দাবী মেনে নিচ্ছেনা এই নির্লজ্জ বেহায়া আওয়ামী সরকার। গত নির্বাচনে ভীশন ২০২১ – এবারের নির্বাচনে ভীশন ২০৪১ – এইসব কিসের আলামত। গণতন্ত্রের হত্যাকারী – যারা নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে ভয় পায়, তারা আবার জাতীকে ভিশন দেখাচ্ছে। আওয়ামী পেঠুয়া বাহিনী সরকারী মদদপুষ্ট গুনডা বাহীনি, পুলিশ লীগ, র্যাব, বর্ডার গার্ড জনগণের উপর অতর্কিতে হামলা করছে। আমাদের সেনাবাহীনি নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। আওয়ামী মন্ত্রীরা লাঠিসুটা নিয়ে বিরুধীদলের উপর নির্লজ্জ ভাবে অত্যাচার – নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের অনেক নেতা – কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বি, এন, পি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহবন্ধী করা হয়েছে, বি, এন, পি’র দুটি কার্যালয়ে তালা দেওয়া হয়েছে, যা কোন সভ্যদেশে তার কোন নজির নেই।
আজ কথা বলার স্বাধীনতা নেই, মিছিল-মিটিং করার অধিকার কেড়ে নিয়েছে, যেমনি করে বাকশালীরা ১৯৭৪ সালে সকল রাজনৈতিক দলের রাজনীতি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলো। গণতন্ত্রের লেবাসে চলছে স্বৈরতন্ত্র। নরপশুরা দেশটাকে একটা নরকে পরিণত করেছে। আমাদের বন্ধু দেশগুলির পরামর্শ, বিশেষ করে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চায়না, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাতীসংঘের মতো সংস্থাগুলির মতামতকেও এই বাকশালীরা তুয়াক্কা করছেনা। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে জাতীসংঘের হস্থক্ষেপ বিশেষ প্রয়োজন।
এই প্রহসনের নির্বাচনকে প্রতিহত করতে হলে আন্দোলনের বিকল্প নেই। দেশ, মাটি, মানুষকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার জন্য আপাময় ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক – শ্রমিক, ব্যবসায়ী, আইনজীবী, চাকুরীজীবি, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবি, পুলিশ, র্যাব, বর্ডার গার্ড, সেনাবাহিনী ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে বিদায় জানাতে হবে।
বজ্র কন্ঠে আওয়াজ তুলুন - রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়। প্রহসনের নির্বাচন মানি নাই মানবনা। তামাশার নির্বাচন প্রতিহত কর। লড়াই লড়াই লড়াই চাই - লড়াই করে বাঁচতে চাই। আমাদের শরীরে শহীদের রক্ত – এই রক্ত কোনদিন ও পরাভব মানেনা।
আজ থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য অবরোধের ডাক দিয়েছেন ১৮ দলীয় ঐক্য জুটের নেত্রী ও বি, এন, পি'র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। দেশ, মানুষ ও গণতন্ত্র রক্ষা করার আন্দোলনে প্রত্যেক জেলা উপজেলায় আন্দোলন অব্যাহত রাখুন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ, নির্বিশেষে সকল পেশার নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই স্বৈরাচারী ফ্যাসিবাদী ও অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে দূর্বার গন আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য স্বাধীনতাকামী জাতীয়তাবাদী চেতনার সকল জন সাধারণকে আহবান জানাচ্ছি।
আসুন আমরা ঐক্ষ্যবদ্ধ হই এবং এই প্রহসনের নির্বাচনকে ‘না’ বলি, গণতন্ত্রকে বাচিয়ে রাখার জন্য ‘হ্যাঁ’ বলি। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অর্থবহ নির্বাচনের দাবিতে, দেশ, মানুষ, গণতন্ত্র বাঁচাতে আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন। এই আন্দোলন দেশের মানুষের শান্তি, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্টার লড়াই। গণতন্ত্র রক্ষা করার এই আন্দোলনকে আরও বেগবান করার জন্য সকল জন সাধারণকে আহবান জানাচ্ছি। ম, আ, মোশতাক - বি,এন,পি যুক্তরাজ্য, প্রতিষ্টাতা সভাপতি ছাত্রদল যুক্তরাজ্য, সাবেক প্রেস সেক্রেটারী - যুক্তরাজ্য বি, এন,পি আহ্বায়ক কমিটি, সাবেক সহকারী সম্পাদক, সহ-সভাপতি - বি, এন, পি লন্ডন, সমন্বয়ক নর্থ ওয়েস্ট বি, এন, পি যুক্তরাজ্য ।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রমান করে এই সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন নিরেপেক্ষ হতে পারে না । মস্তকবিহীন নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ট অবাধ ও নিরেপেক্ষ নির্বাচন জাতীকে উপহার দিতে পারে না । প্রশাসন সরকারের আজ্ঞাবহ ও সরকারের নির্দেশে কাজ করে । নিরাপত্তা বাহিনী জনগণের জান মালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে ।