আমি অনেক চেষ্টা করেছি যে নয়াপল্টনের অফিস থেকে যে কোন দায়িত্বশীল ভাই আমার সাথে কন্টাক করলে আমি প্রত্যেকটি মিটিং মিছিলে যাওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু কোন সাড়া পাইনি
আপনাদের চিন্তা শক্তি কাজে লাগছে না তাই কিছু করতে পারছেন না ।জনগণ কখনো মাঠে নামবে না যতক্ষন পর্যন্ত তাদের নিজেদের প্রয়োজন না হবে কিংবা লাগবেই। তাদের সমস্যা দরকার পরলে তৈরি করতে হবে । তাহলেই আপনাদের পিছনে আসবে .
বরাবর, দেশ্নায়ক তারেক রহমান, মহান আল্লাহ দরবারে কামনা যত দ্রুত সম্ভব আমাদের কাছে ফিরেয়ে আনুক জনাব আমরা আপনার নেতৃতে একতাবদ্দ ও আমরা তারেক রহমান গণ পরিষদ এর বেনারে কারজক্রম পরিচালনা করিতেছি, অতি দ্রুত আমাদের কার্যক্রম আপনার নিকট পেশ করা হবে। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বটে তবে বিশেষভাবে চোখ রাখছে ২০০টি আসনের দিকে। সব দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত গত দুটি (২০০১ ও ২০০৮) সাধারণ নির্বাচনের হারজিতকে মাথায় রেখেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে এগুচ্ছে দলটি। সরাসরি জয় ও স্বল্প ব্যবধানে হেরে যাওয়া এসব আসন এখন দলটির নির্বাচন ভাবনায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এই ২০০ আসনের মধ্যে অন্তত ১৬০ থেকে ১৭০টিতে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসতে চায় শাসকদলটি। অবশিষ্ট ১০০টি আসনেও প্রার্থিতা থাকবে দলটির তবে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করলে আসন ভাগাভাগির অঙ্ক কষা হবে এসব আসনেই। আওয়ামী লীগের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়,দেশের ৮টি বিভাগে ২০০ আসন বাছাই করার কাজ করছেন দলের নীতি-নির্ধারকরা। এরমধ্যে ঢাকা বিভাগের ৭০ আসনের ৬০টি,রংপুরের ৩৩টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ২০টি, খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনের মধ্যে অন্তত ২৫টি, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ১৫টি ও সিলেট বিভাগের ১৯টির মধ্যে অন্তত ১৫টি আসন আছে দলটির বাছাই তালিকায়। এছাড়াও রাজশাহী বিভাগের ৩৯টির মধ্যে ২৫টি, ময়মনসিংহের ২৪টির ২০টি আসনে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে চায় আওয়ামী লীগ।
স্যার দলের মধ্যে এমন কিছু কুলাঙ্গার ঢুকছে। যারা দিনে বিএনপি রাতে আওয়ামীলীগ করে। এই সকল লোকদের বের করতে হবে। তবেই দল সঠিক আন্দোলন সফল হবে বলে আমার বিশ্বাস ।
১৯৯০-এর ২৭ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সাহাবউদ্দিন আহমেদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেন এরশাদ।১৯৯৬-এ শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি হন সাহাবউদ্দিন। ২০০৮-এ দ্বিতীয় বার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দায়িত্ব নিয়েই যুদ্ধপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তিনি তৎপর। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ অনুযায়ী ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী। ২০১৫র ১৭ জানুয়ারি হিন্দু আইনজীবী সুরেন্দ্রকুমার সিনহাকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব দেন। এতে ক্ষোভ আওয়ামি লিগের মধ্যেও। বিক্ষুব্ধরা জানে, পদটি কতটা শক্তিশালী। প্রধান বিচারপতির অবস্থান রাষ্ট্রপতির ঠিক এক ধাপ নিচে। পিতা মুজিবের মতই প্রধান বিচারপতিকেই রাষ্ট্রপতি করাটা পছন্দ করেন হাসিনা। এতে সুবিধে দু’দিকে। এক, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা। দুই, একজন আইনজ্ঞকে অভিভাবক হিসেবে পাওয়া। ভারতে প্রথম সংখ্যালঘু রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন মহম্মদ হিদায়তুল্লা ১৯৬৯-এ। তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন।
দ্বিতীয় চুক্তি হয়েছে ,বিএনপি যদি ৫ জানুয়ারীর স্টাইলে ফের আন্দোলনে যায় এবং বিএনপিকে সালোনো কঠিন হয়ে পড়ে তাহলে তৃতীয়পক্ষ মানে সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়ার দায়িত্ব বর্তাবে প্রধান বিচারপতির হাতেই। তাতে সেনাবাহিনীর সহযোগীতায় গ্রীন সিগন্যালের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারসহ দলের গুরুত্বপূর্ণদের যাতেদেশ থেকে পালানোর সহায়তা করা।
সেনাবাহিনী ক্ষমতায় গেলেও আওয়ামীলীগের কোন সমস্যা হবে না। একই সঙ্গে ভারতীয়মদতপুষ্ট সেনা সর্মথনের সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে এ সুযোগে ফের আওয়ামীলীগ তাদের জনপ্রিয়তায় ফিরতে পারবে। কথা হচ্ছে প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি করার যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তাও ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছে ভারতীয় গনমাধ্যম।
ট্রাম কার্ড খেলছেন সিনহা : নজর রাষ্ট্রপতির চেয়ার ও আ.লীগ রুপকল্প ২১! বিচারপতি এস কে সিনহার দেয়া একটি রায় দেশব্যাপি আলোচিত সমালেঅচিত , প্রশংসিত হয়েছে । এবং দল -মত নির্বিশেষে সবার কাছেই মনে হয়েছে যে এস কে সিনহা যে কাজটি করেছেন তা হয়তো গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের একটি বড় পথ !! কিন্তু আসলেই কি তাই? চলুন ঘুরে আসি বিচারপতি এস কে সিনহার কিছু কর্মকান্ডের ব্যাপারে তাহলেই দেশব্যাপী মানুষের মনে সিনহার প্রতি যে নিরপেক্ষতার ভাবমূর্তি তৈরী হয়েছে সে পথটা পরিস্কার হয়ে যাবে।
রায়ের কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন । তা ছিল প্রায় আড়াই ঘন্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক । ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির মধ্যে কি আলোচনা হয়েছিল সে ব্যাপারে গনমাধ্যমের আগ্রহ থাকলেও কেউ তা প্রকাশে সাহস করেন নি। কিন্তু ওই রুদ্ধদ্বার বৈঠক এবং ষোড়শ সংশোধনী রায়ের পেছনে রয়েছে হাসিনা-সিনহার বড় ট্রাম কার্ড। তাহলে কি সেই ট্রাম কার্ড ?
মাননীয় জনাব তারেক রহমান ভাইস চেয়ারম্যান বিএনপি। বিএনপির সকল কর্মী বর্তমান ফেসিস্ট সরকারের অমানুষিক নির্যাতন সয়েও আগামীতে দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য দলের চেয়ারপার্সন ও আপনি অন্যান্ন নীতি নির্ধারকদের সঠিক সময়ে কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহন অতিব জরুরি কিন্তু দলের ভিতরে গুপ্তি মারা বেইমানদের চিহ্নতকরে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থানেয়া অতিব জরুরি। মনোনয়নের ব্যপারে অত্যন্ত সজাগ থাকতে হবে। সে ক্ষেত্রে জামালপুর জেলার ৫টি আসনের চিত্র তুলে ধরা নৈতিক কর্তব বলে মনে করছি। জামালপুর -১ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর -২ সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর -৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল শক্তিশালী বিকল্প প্রার্থী দিলে হয়ত দল ফলাফল আশা করতে পারে।জামালপুর -৪ ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম জামালপুর -৫ এড,ওয়ারেছ আলী মামুন। যানিনা আমার দির্ঘদিনের জরিপের মুল্যায়ন কতটুকু হবে।যদি দলের প্রতিটি নেতাকর্মী আন্তরিকতার সাথে জনগনের পাশে থেকে যার ভোট তাকে দেয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে পারে তবে ইনশাল্লাহ বিএনপি ক্ষমতায় আসবে।
মোঃ নজরুল ইসলাম সাবেক গনশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জেলা বিএনপি,জামালপুর।
As a well wisher and supporter of BNP i'm proposing some name: 1.সাবেক নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন 2. সাবেক সিইসি এটিএম শামসুল হুদা, 3. সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন 4.এসএম ফায়েজ 5.অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল 6. retired Army chief Hasan Mshud
Please requesting you once again don't give the ball in Awami court to play.If BNP propose name nothing to gain or lose but if don't propose name lots of thing there to lose.
জনাব,তারেক রহমান মাননীয় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।
বাংলাদেশ ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আদর্শে উজ্জিবিত সকলের পক্ষ থেকে বিষেশ করে জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এড,ওয়ারেছ আলী মামুনের পক্ষ থেকে জনাব তারেক রহমানকে জন্ম দিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্ম দিন। মোঃ নজরুল ইসলাম গন শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জামালপুর জেলা বিএনপি।
Leader I wanted your email address so that I can share my thoughts with you about our nation which we the nationalists love. Sir this website is not working in Bangladesh.
মাননীয় ঝ্বনাব তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।
আসছালামু আলায়কুম। দলীয় শুভেচ্ছা নিবেন। পররিচয় দেয়ারমত পদপদবী আমার নাই। শুধু এইটুকু জানি এবং মানি,গর্বের সাথে স্বীকার করি আমি আপনার দলের একজন সধারন কর্মী মাত্র। কর্মজীবনে আমি একজন বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।আমি বিএনপি সমর্থন করি শুধু এই করনে আমাকে চাকুরীচ্যুত করার জন্য ১৪ টি তদন্ত ১১টি মামলা করেছিল বর্তমান অনির্বাচিত ক্ষমতসসীন দলের এমপি,নেতাগন। আল্লাহতায়ালারঅশেষ রহমতে সকল বাধা বিপত্তি কাটিয়ে আপনাদের দোয়ায় আমি স্বপদে টিকে আছি।যদিও আপনার জানার বিষয় নয় তবুও এজন্যে লিখলাম আমার মত লাখলাখ কর্মী সমর্থক বিশ্ব বিখ্যাত শৈরচারী হাসিনা সরকাকারের মন্রী,এমপি এবং নেতাকর্মীর দ্বারা শরীরিক,মানুষিক এবং আর্থিকভাবে নির্জাতিত,গৃহহারা। সবিনয়ে আপনার নিকট আবেদন।ষত দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন তত দ্রুত দলের সকলস্তরের নেতাকর্মী নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
মোঃ নজরুল ইসলাম গন শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জামালপুর জেলা বিএনপি।
Comments
দেশ্নায়ক তারেক রহমান,
মহান আল্লাহ দরবারে কামনা যত দ্রুত সম্ভব আমাদের কাছে ফিরেয়ে আনুক জনাব আমরা আপনার নেতৃতে একতাবদ্দ ও আমরা তারেক রহমান গণ পরিষদ এর বেনারে কারজক্রম পরিচালনা করিতেছি, অতি দ্রুত আমাদের কার্যক্রম আপনার নিকট পেশ করা হবে। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
আওয়ামী লীগের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়,দেশের ৮টি বিভাগে ২০০ আসন বাছাই করার কাজ করছেন দলের নীতি-নির্ধারকরা । এরমধ্যে ঢাকা বিভাগের ৭০ আসনের ৬০টি,রংপুরের ৩৩টি আসনের মধ্যে কমপক্ষে ২০টি, খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনের মধ্যে অন্তত ২৫টি, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ১৫টি ও সিলেট বিভাগের ১৯টির মধ্যে অন্তত ১৫টি আসন আছে দলটির বাছাই তালিকায়। এছাড়াও রাজশাহী বিভাগের ৩৯টির মধ্যে ২৫টি, ময়মনসিংহের ২৪টির ২০টি আসনে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে চায় আওয়ামী লীগ।
দলের মধ্যে এমন কিছু কুলাঙ্গার ঢুকছে। যারা দিনে বিএনপি রাতে আওয়ামীলীগ করে। এই সকল লোকদের বের করতে হবে। তবেই দল সঠিক আন্দোলন সফল হবে বলে আমার বিশ্বাস ।
কুমিল্লা,ব্রাক্ষণ পাড়া। 24.10.2017
কুমিল্লা,ব্রাক্ষণ পাড়া।
১৯৯০-এর ২৭ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সাহাবউদ্দিন আহমেদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেন এরশাদ।১৯৯৬-এ শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি হন সাহাবউদ্দিন। ২০০৮-এ দ্বিতীয় বার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দায়িত্ব নিয়েই যুদ্ধপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তিনি তৎপর। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ অনুযায়ী ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী। ২০১৫র ১৭ জানুয়ারি হিন্দু আইনজীবী সুরেন্দ্রকুমার সিনহাকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব দেন। এতে ক্ষোভ আওয়ামি লিগের মধ্যেও। বিক্ষুব্ধরা জানে, পদটি কতটা শক্তিশালী। প্রধান বিচারপতির অবস্থান রাষ্ট্রপতির ঠিক এক ধাপ নিচে। পিতা মুজিবের মতই প্রধান বিচারপতিকেই রাষ্ট্রপতি করাটা পছন্দ করেন হাসিনা। এতে সুবিধে দু’দিকে। এক, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা। দুই, একজন আইনজ্ঞকে অভিভাবক হিসেবে পাওয়া। ভারতে প্রথম সংখ্যালঘু রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন মহম্মদ হিদায়তুল্লা ১৯৬৯-এ। তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন।
সেনাবাহিনী ক্ষমতায় গেলেও আওয়ামীলীগের কোন সমস্যা হবে না। একই সঙ্গে ভারতীয়মদতপুষ্ট সেনা সর্মথনের সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে এ সুযোগে ফের আওয়ামীলীগ তাদের জনপ্রিয়তায় ফিরতে পারবে।
কথা হচ্ছে প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি করার যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তাও ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছে ভারতীয় গনমাধ্যম।
বিচারপতি এস কে সিনহার দেয়া একটি রায় দেশব্যাপি আলোচিত সমালেঅচিত , প্রশংসিত হয়েছে । এবং দল -মত নির্বিশেষে সবার কাছেই মনে হয়েছে যে এস কে সিনহা যে কাজটি করেছেন তা হয়তো গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের একটি বড় পথ !! কিন্তু আসলেই কি তাই? চলুন ঘুরে আসি বিচারপতি এস কে সিনহার কিছু কর্মকান্ডের ব্যাপারে তাহলেই দেশব্যাপী মানুষের মনে সিনহার প্রতি যে নিরপেক্ষতার ভাবমূর্তি তৈরী হয়েছে সে পথটা পরিস্কার হয়ে যাবে।
রায়ের কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন । তা ছিল প্রায় আড়াই ঘন্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক । ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির মধ্যে কি আলোচনা হয়েছিল সে ব্যাপারে গনমাধ্যমের আগ্রহ থাকলেও কেউ তা প্রকাশে সাহস করেন নি। কিন্তু ওই রুদ্ধদ্বার বৈঠক এবং ষোড়শ সংশোধনী রায়ের পেছনে রয়েছে হাসিনা-সিনহার বড় ট্রাম কার্ড। তাহলে কি সেই ট্রাম কার্ড ?
জনাব তারেক রহমান
ভাইস চেয়ারম্যান
বিএনপি।
বিএনপির সকল কর্মী বর্তমান ফেসিস্ট সরকারের অমানুষিক নির্যাতন সয়েও আগামীতে দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য দলের চেয়ারপার্সন ও আপনি অন্যান্ন নীতি নির্ধারকদের সঠিক সময়ে কার্যকরী সিদ্ধান্ত গ্রহন অতিব জরুরি কিন্তু দলের ভিতরে গুপ্তি মারা বেইমানদের চিহ্নতকরে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থানেয়া অতিব জরুরি। মনোনয়নের ব্যপারে অত্যন্ত সজাগ থাকতে হবে। সে ক্ষেত্রে জামালপুর জেলার ৫টি আসনের চিত্র তুলে ধরা নৈতিক কর্তব বলে মনে করছি। জামালপুর -১ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর -২ সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর -৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল শক্তিশালী বিকল্প প্রার্থী দিলে হয়ত দল ফলাফল আশা করতে পারে।জামালপুর -৪ ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম জামালপুর -৫ এড,ওয়ারেছ আলী মামুন। যানিনা আমার দির্ঘদিনের জরিপের মুল্যায়ন কতটুকু হবে।যদি দলের প্রতিটি নেতাকর্মী আন্তরিকতার সাথে জনগনের পাশে থেকে যার ভোট তাকে দেয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে পারে তবে ইনশাল্লাহ বিএনপি ক্ষমতায় আসবে।
মোঃ নজরুল ইসলাম
সাবেক গনশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক
জেলা বিএনপি,জামালপুর ।
1.সাবেক নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন
2. সাবেক সিইসি এটিএম শামসুল হুদা,
3. সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন
4.এসএম ফায়েজ
5.অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল
6. retired Army chief Hasan Mshud
Please requesting you once again don't give the ball in Awami court to play.If BNP propose name nothing to gain or lose but if don't propose name lots of thing there to lose.
মাননীয় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।
বাংলাদেশ ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আদর্শে উজ্জিবিত সকলের পক্ষ থেকে বিষেশ করে জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এড,ওয়ারেছ আলী মামুনের পক্ষ থেকে জনাব তারেক রহমানকে জন্ম দিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্ম দিন।
মোঃ নজরুল ইসলাম
গন শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক
জামালপুর জেলা বিএনপি।
ঝ্বনাব তারেক রহমান
সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।
আসছালামু আলায়কুম।
দলীয় শুভেচ্ছা নিবেন। পররিচয় দেয়ারমত পদপদবী আমার নাই। শুধু এইটুকু জানি এবং মানি,গর্বের সাথে স্বীকার করি আমি আপনার দলের একজন সধারন কর্মী মাত্র। কর্মজীবনে আমি একজন বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।আমি বিএনপি সমর্থন করি শুধু এই করনে আমাকে চাকুরীচ্যুত করার জন্য ১৪ টি তদন্ত ১১টি মামলা করেছিল বর্তমান অনির্বাচিত ক্ষমতসসীন দলের এমপি,নেতাগন। আল্লাহতায়ালারঅশ েষ রহমতে সকল বাধা বিপত্তি কাটিয়ে আপনাদের দোয়ায় আমি স্বপদে টিকে আছি।যদিও আপনার জানার বিষয় নয় তবুও এজন্যে লিখলাম আমার মত লাখলাখ কর্মী সমর্থক বিশ্ব বিখ্যাত শৈরচারী হাসিনা সরকাকারের মন্রী,এমপি এবং নেতাকর্মীর দ্বারা শরীরিক,মানুষিক এবং আর্থিকভাবে নির্জাতিত,গৃহহা রা। সবিনয়ে আপনার নিকট আবেদন।ষত দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন তত দ্রুত দলের সকলস্তরের নেতাকর্মী নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
মোঃ নজরুল ইসলাম
গন শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক
জামালপুর জেলা বিএনপি।
RSS feed for comments to this post