বাংলা
ছাত্র দলের নতুন কমিটি গঠন নিয়ে সমস্যা হচ্ছে বুঝা যাচ্ছে পত্র পত্রিকার খবর পড়ে। কমিটি গঠন হলে বিদ্রোহের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুর্নাংগ কমিটি না আহবায়ক কমিটি হবে তা নিয়েও সংসয় দেখা যাচ্ছে।
এ সমস্যার একটা কার্যকর সমাধান আমি এখানে প্রস্তাব করতে চাচ্ছি। প্রস্তাব হচ্ছে, একক কোন কমিটি না করে ছয় বিভাগের জন্য ছয়টি কমিটি করতে হবে সভাপতি আর সাধারণ সম্পাদক পদের দাবীদারদের নিয়ে আর তাদের পছন্দের লোকদের নিয়ে। প্রতি কমিটিতে ২৫-৩০ বা ৫০ জন থাকতে পারে। ১। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদের দাবীদাররা যে বিভাগের তাদের সেই বিভাগের দায়িত্ব দিতে হবে। ২। তাদের সাথে তাদের পছন্দের অন্য নেতাদের দিতে হবে যাতে কোন দন্দ সংঘাত না হয়। ৩। কোন নেতাকে যদি একাধিক সভাপতি প্রার্থী চায়, তবে সেই ব্যক্তি যার সাথে কাজ করতে চায় তাকে তার সাথে দিতে হবে । ৪। প্রতিটি কমিটিতে ৫০ জনকে বা আরো বেশী জনকে স্থান দেওয়া যেতে পারে। এভাবে ৩০০ বা তার বেশী জনকে কমিটিতে স্থান দেওয়া যাবে। বিদ্রোহ ঠেকানো যাবে। সাথে সাথে তাদের করনীয় বলে দিতে হবে ১। নিজ নিজ বিভাগে ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি গঠন করতে হবে। যাদের করা কমিটি নিয়ে যত কম বিদ্রোহ হবে, সেটা তাদের জন্য তত প্লাস পয়েন্ট বলে গন্য করা হবে। টাকা খেয়ে কমিটির অভিযোগ উঠলে তাকে গুরুতর অপরাধ গন্য করা হবে। ২। সাধারণ ছাত্রদের আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে হবে। যে বিভাগীয় কমিটি যত বেশী সাধারণ ছাত্রদের সম্পৃক্ত করতে পারবে, পরবর্তিতে পুর্নাং কমিটি গঠনে তত ভাল মুল্যায়ন করা হবে। ( ১। কোটা প্রথার অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে হলে সাধারণ ছাত্রদের হাসিনা হটাও আন্দোলনে যোগ দিতে হবে, ২। হলে হলে ছাত্রলীগের অত্যাচার নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে হলে আন্দোলনে জড়াতে হবে বলে সাধারণ ছাত্রদের মাঝে প্রচারণা চালাতে হবে।৩। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংসদ নির্বাচন চাইলে হাসিনা পতন আন্দোলনে যোগ দাও, এরকম আরো অনেক পয়েন্ট যোগ করা যেতে পারে)। ৩। দলের নেতা কর্মীদের চুড়ান্ত আন্দোলনের সময় ঢাকা অচলে ভুমিকা রাখতে ঢাকায় জড়ো করতে হবে। যে কমিটি যত ভাল ভুমিকা রাখতে পারবে, যত নতুন/অভিনব উপায় অবলম্বন করতে পারবে, সেটা তাদের ভবিষত নেতৃত্যবে নিয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে) ৪। কোন বিভাগীয় কমিটি অন্য কমিটিকে ল্যাং মারতে পারবে না। এটাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গন্য করা হবে। ল্যাং মারার মিথ্যা অভিযোগ করলেও তা গুরুতর অপরাধ বলে গন্য করা হবে। ৫। অন্য কমিটিকে সহযোগিতা করলে তা প্লাস পয়েন্ট হিসেবে গন্য করা হবে। ৬। গ্রেফতার এড়িয়ে সক্রিয় থাকতে পারাকে প্লাস পয়েন্ট গন্য করা হবে। ঘরে শোয়ে বসে গ্রেফতার হওয়াকে গুরুতর ত্রুটি হিসেবে গন্য করা হবে ভবিষতে কোন পদে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে। ৭। নিজ নিজ বিভাগীয় সংসদীয় আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য যোগাড় করতে হবে। যে কমিটি যত বেশী টাকা দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জমা দিতে পারবে নিজেদের জন্য ব্যয় করার পর সেটাকে তত বেশী মুল্যায়ন করা হবে। ৮। ঢাকা শহরকেও ছয় ভাগ করে ছয় বিভাগীয় কমিটিকে দায়িত্ব দিতে হবে চুড়ান্ত আন্দোলনে সেই এলাকার নিয়ন্ত্রন নেওয়ার জন্য। কোন একটা দল সফল হলে সারা ঢাকা অচল করা সহজ হয়ে যাবে। একই সময়ে একাধিক পন্থায় একাধিক গ্রুপ যদি ঢাকা অচলের চেষ্টা করে, সেটা মোকাবেলা করা পুলিশ তথা সরকারের জন্যও কঠিন হবে। একেক গ্রুপের পথ, পন্থা কিছুটা আলাদা হতে পারে, নতুন নতুন পথ পন্থা অনুসরনের দরজা খোলা রাখতে হবে। তবে সময়টা এক রাখতে হবে। আর মুল সমন্বইয় করতে মুল দল বিএনপির শীর্য নেতৃত্ব কে।
চুড়ান্ত আন্দোলনে যে বিভাগীয় কমিটি যেরকম ভুমিকা রাখতে পারবে সেই কমিটিকে সেইমান অনুসারে মুল্যায়ন করা হবে দল ক্ষমতায় গেলে, ছাত্র দলের নতুন এবং পুর্নাংগ কমিটিতে। এই মডেল ফলো করা হলে অনেক সুবিধা। ১। বিদ্রোহ ঠেকানো যাবে ২। অনেক বেশী নেতা সক্রিয় হবে ৩। একটা কমিটিকে সরকারের পক্ষে যত সহজে অকার্যকর করা সম্ভব হবে, ছয়টা কমিটিকে ততটাই কঠিন হবে। ৪। ছয়টা কমিটি থেকে এক বা একাধিক কমিটি অবশ্যই কার্যকর হবে, সফল হবে। সব কমিটিই কিছু না কিছু ভুমিকা রাখবে নিজেদের নেতৃত্বের প্রমান রাখতে, অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে । একটা কমিটি হলে এরকম কোন প্রতিযোগিতা থাকে না। ৫। মাঠে সবচেয়ে কার্যকর নেতা কে বা কারা তা বের হয়ে আসবে। ভবিষতে নতুন কমিটি করার যোগ্য নেতা বাছাই করা অনেক সহজ হবে। ৬। আন্দোলনে এর সুফল অবশ্যই পাওয়া যাবে।
এই একই মডেল অন্য অংগ সংগঠনের ক্ষেত্রেও অনুসরন করা যায়, করা উচিত হবে। একই রকম বেনিফিট পাওয়া যাবে। ঢাকা অচলে ভুমিকা রাখতে ঢাকায় জড়ো করতে হবে। যে কমিটি যত ভাল ভুমিকা রাখতে পারবে, যত নতুন/অভিনব উপায় অবলম্বন করতে পারবে, সেটা তাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে নিয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে) ৪। কোন বিভাগীয় কমিটি অন্য কমিটিকে ল্যাং মারতে পারবে না। এটাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। ল্যাং মারার মিথ্যা অভিযোগ করলেও তা গুরুতর অপরাধ বলে গণ্য করা হবে। ৫। অন্য কমিটিকে সহযোগিতা করলে তা প্লাস পয়েন্ট হিসেবে গণ্য করা হবে। ৬। গ্রেফতার এড়িয়ে সক্রিয় থাকতে পারাকে প্লাস পয়েন্ট গণ্য করা হবে। ঘরে শোয়ে বসে গ্রেফতার হওয়াকে গুরুতর ত্রুটি হিসেবে গণ্য করা হবে ভবিষ্যতে কোন পদে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে। ৭। নিজ নিজ বিভাগীয় সংসদীয় আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য যোগাড় করতে হবে। যে কমিটি যত বেশী টাকা দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জমা দিতে পারবে নিজেদের জন্য ব্যয় করার পর সেটাকে তত বেশী মূল্যায়ন করা হবে। ৮। ঢাকা শহরকেও ছয় ভাগ করে ছয় বিভাগীয় কমিটিকে দায়িত্ব দিতে হবে চূড়ান্ত আন্দোলনে সেই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য। কোন একটা দল সফল হলে সারা ঢাকা অচল করা সহজ হয়ে যাবে। একই সময়ে একাধিক পন্থায় একাধিক গ্রুপ যদি ঢাকা অচলের চেষ্টা করে, সেটা মোকাবেলা করা পুলিশ তথা সরকারের জন্যও কঠিন হবে। একেক গ্রুপের পথ, পন্থা কিছুটা আলাদা হতে পারে, নতুন নতুন পথ পন্থা অনুসরণের দরজা খোলা রাখতে হবে। তবে সময়টা এক রাখতে হবে। আর মুল সমন্বয় করতে মুল দল বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব কে।
চূড়ান্ত আন্দোলনে যে বিভাগীয় কমিটি যেরকম ভুমিকা রাখতে পারবে সেই কমিটিকে সেই অনুসারে মূল্যায়ন করা হবে দল ক্ষমতায় গেলে, ছাত্র দলের নতুন এবং পুর্নাংগ কমিটিতে। এই মডেল ফলো করা হলে অনেক সুবিধা। ১। বিদ্রোহ ঠেকানো যাবে ২। অনেক বেশী নেতা সক্রিয় হবে ৩। একটা কমিটিকে সরকারের পক্ষে যত সহজে অকার্যকর করা সম্ভব হবে, ছয়টা কমিটিকে ততটাই কঠিন হবে। ৪। ছয়টা কমিটি থেকে এক বা একাধিক কমিটি অবশ্যই কার্যকর হবে, সফল হবে। সব কমিটিই কিছু না কিছু ভুমিকা রাখবে নিজেদের নেতৃত্বের প্রমাণ রাখতে, অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে । একটা কমিটি হলে এরকম কোন প্রতিযোগিতা থাকে না। ৫। মাঠে সবচেয়ে কার্যকর নেতা কে বা কারা তা বের হয়ে আসবে। ভবিষ্যতে নতুন কমিটি করার যোগ্য নেতা বাছাই করা অনেক সহজ হবে। ৬। আন্দোলনে এর সুফল অবশ্যই পাওয়া যাবে।
এই একই মডেল অন্য অঙ্গ সংগঠনের ক্ষেত্রেও অনুসরণ করা যায়, করা উচিত হবে। একই রকম বেনিফিট পাওয়া যাবে।
voter madhome commeette korle problem ki?75 ta sanghotonik district er president secretary vote diye to central leader decide kora jay.ate kore district leader der value barto.r anny tuku aman nasir ato group hoto na.
voter madhome commeette korle problem ki?75 ta sanghotonik district er president secretary vote diye to central leader decide kora jay.ate kore district leader der value barto.r anny tuku aman nasir ato group hoto na.
voter madhome commeette korle problem ki?75 ta sanghotonik district er president secretary vote diye to central leader decide kora jay.ate kore district leader der value barto.r anny tuku aman nasir ato group hoto na.
voter madhome commeette korle problem ki?75 ta sanghotonik district er president secretary vote diye to central leader decide kora jay.ate kore district leader der value barto.r anny tuku aman nasir ato group hoto na.