আশা করি সবাই ভাল আছেন, ভাল আছেন কিনা জানি না, কেননা দেশের এই অবস্থায় কেউ যে ভাল নেই তা বুঝতে পারি। আমি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশসাসী একজন  তরুন। আজ দেশের এই পরিস্থিতিতে আমার মত অনেক তরুন হতাশ হয়ে আমাদের নেতার  দিকে তাকিয়ে আছি। আমি জানি পরিবরতন আসবে এবং তা নেতার দেখান পথেই আসবে ।

 আজ আমাদের ভোটাধিকার নেই, কথা বলার কোন অধিকার নেই, সব কিছু থেকে দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ বঞ্চিত। এটা তো  হবার কথা ছিল না বা এটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাতেই ছিল না। যেখানে সুখী ও উন্নত বাংলাদেশের কথা আপনারা ভেবেছিলেন কিন্তু আজ এর ভাগ্যাকাশে কালো মেঘ খেলা করছে। আজ বেহায়া ও নীতিহীন এক সাথে জোট বেধেছে। এটা আমাদের মত মুক্ত মনের মানুষের জন্য চরম অবমাননা কর।

আমাদের মত তরুনদের কথা যদি আপনারা না শোনেন তাহলে আমরা কোথায় যাব?

আজ জাতীয়তাবাদী শক্তি প্রচার এর অভাবে মরে যেতে বসেছে, আজ কথায় কথায় আমাদের কে ছাগু, জঙ্গীবাদী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী বলে মার্কেটিং করে দেওয়া হয়। এর কারন হল জাতীয়তাবাদী শক্তিতে বিশসাসী ছেলে- মেয়েদের নেই কোন কমন প্লাটফর্ম যেখানে বসে তারা আলোচনা করতে পারে। 

রাজনীতি এখন কেবল পথের ছাত্র দল/যুবদল/তাতীদল/শ্রমিক দল দিয়ে হয় না। এটা জাতীয়তাবাদীদের বুঝতে হবে। আর এখনি যদি আপনারা এগিয়ে না আসেন তাহলে অনেক দেরী হয়ে যাবে। 

এখন জাতীয়তাবাদী শক্তিতে বিশবাসী তরুনদের জন্য যা দরকার তা নিন্মরুপ। স্যার এটা আমার চিন্তা

  1. দলীয় গবেষনা ফোরাম ( তরুনদের নিয়ে, এরা তরুনরা কি চাই বা আন্দোলনে তরুনদের কিভাবে আনা যায় সেসব বিষয়ে পলিসি মেকিং এ ভুমিকা রাখবে। এরা গ্রাউন্ড ওয়ার্ক করে দলকে আগাম জানাবে
  2. সোস্যাল মিডিয়া গ্রুপঃ আজ সোস্যাল মিডিয়া এর ভুমিকা সম্পর্কে আপনি জানেন স্যার, বিনপি এবার সম্পূর্ন ভাবে ব্যার্থ এটা নিয়ে । সোস্যাল মিড়িয়াতে বিনপি / জাতীয়তাবাদে বিশসাসীদের প্রচারনা ও পদচারনা বাড়ানোর জন্য সঠিক কাজ কি তা নিরধারন করতে হবে।
  3. পেপার পত্রিকাতে যে সব জায়গায় জাতীয়তাবাদকে হেয় করা হয় সেখানে লেখনীর মাধ্যমে জবাব দিতে হবে, ব্লগ সাইট, পেপার এর কমেন্ট সব কিছুতে থাকতে হবে।
  4. এসব কাজের জন্য কিছু না হোক একটা সমননয় কমিটি কাজ করবে, আর এর এক্সিকিউটিভ মেম্বারদের প্রতিনিধিরা সরাসরি চেয়ার পারসন/ মহাসচিব/ পরিকল্পনা সচিব/নীতি নিরধারনি কমিটি/ অন্য কোন দায়িত্বশীল কমিটিকে জবাব দিবে।
  5. দলীয় ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে এ ব্যবস্থাকে একটা কাঠামোর মাঝে নিয়ে আসতে হবে, কারন ফান্ড না হলে কোন ভাবেই এই কাজ আগাবে না।( স্যার রাজনইতিক কাজে টাকা দুটা কম দিয়ে এটা করলে কাজ দিবেই)
  6. এখন এমন একটা সময় যেখানে কেবল পথের জ্বালাও পোড়াও দিয়ে সমর্থন পাওয়া যায় না এখন দরকার যুগোপযোগী ভাবনা ও সেই অনুযায়ী কাজ করা।
  7. একজন দায়িত্বশীল অধ্যাপক ও দলীয় হাইকমান্ড সমন্বয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে যাতে করে গবেষণা কার্যক্রম গাতিময়তার সাথে এগিয়ে যেতে পারে।
  8. এই ফোরাম গঠিত হতে হবে শিক্ষিত ও মেধাবী ছেলে ও মেয়েদের কে নিয়ে, এর মেম্বাররা অন্তত গ্রাজুয়েট হবে। চাকুরীজীবি, তরুন গবেষক, সমাজ বিজ্ঞানী, রাষ্ট্র চিন্তাবিদ, তরুন আইনজীবী, ইকোনোমিস্ট, এগ্রিকালচারিস্ট, আইটি সহ সকল ক্ষেত্রের মেধাবীদের পর্যায়ক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
  9. এ ফোরাম কে দলের সব কাঠামোর সাথে তথ্য বিনিময় করতে হবে, ছাত্রদল, যুবদল, সহ সবার সাথে কাজ করতে হবে।
  10. বর্তমান সময়ে তরুন সমাজের মতামত ছাড়া সরকার আগাতে পারবে না, তাই এখন থেকে পরবর্তী নির্বাচনের  জন্য এ ফোরাম কাজ করে , তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষন করে জাতীয় নির্বাচনী ইশতেহার প্রস্তুত করতে সাহয্য করবে।
  11. এখন ২১ শতকে এসে তরুণদের নিয়ে কাজ করার কোন বিকল্প নেই।
  12. এ ফোরামকে দেশী বিদেশী মিডিয়াতে তথ্য পাঠাতে হবে ও সেই সাথে তথ্য ম্যানেজমেন্ট করবে।
  13. যারা এ সকল কাজ এ জড়িত থাকবে তাদের প্রকাশ্যে আনার কোন দরকার নেই, এবং একই সাথে দলের মধ্যে রেখে এদের কে নানা জায়গায় চাকরি-বাকরির ব্যবস্থা দলকেই করতে হবে।তাহলে কাজ গতিশীল হবে।
  14. ফেসবুক সহ নানা মিডিয়াতে বিডি ন্যাশনালিস্ট সহ নানা ফোরাম আছে কিন্তু এদের মধ্যে স্বমনয়ের ঘাটতি চোখে পড়ার মত। সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ ধরনের কারযক্রম কে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে
  15. চেয়ারপারসন কে প্রতি ১৫ দিনে এ ফোরাম আপডেট করবে।